বাঘ আতঙ্কের অবসান ঘটল
দি নিউজ লায়ন ; বাঘ আতঙ্কের অবসান ঘটল। বনকর্মী ও গ্রামবাসীদের তাড়া খেয়ে অবশেষে কুলতলির লোকালয় থেকে নদী সাঁতরে সুন্দরবনের জঙ্গলে ফিরে গেল জঙ্গলের মহারাজ। যদিও বাঘের জঙ্গলে ফেলে যাওয়া বিষয়টি নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার বনদপ্তর এর তরফ থেকে ৭ টি বোট ও স্পিডবোট নিয়ে এবং ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চালান হচ্ছে। এদিন কিশোরীমোহনপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেল এখনো গ্রামবাসীরা যথেষ্ট আতঙ্কিত।
গ্রামের মহিলারা অভিযোগ জানান, তাদের ধারণা দুটি বাঘ হয়তো গ্রামে ঢুকে ছিল। একটি নদী সাঁতরে চলে গেলেও আর একটা হয়তো গ্রামের অন্য কোথাও লুকিয়ে আছে। প্রায়ই এভাবে বাঘ গ্রামে ঢুকে আসায় তাঁদের সব সময়ই আতঙ্কিত হয়ে থাকতে হয়। এদিকে এদিন সকালে গৃহস্থের গোয়ালে হামলা চালিয়ে গরু মেরে খেয়ে জঙ্গলে ফিরে যেতে দেখা যায় মহারাজকে।
অন্যদিকে, ঘটনা সরজমিনে খতিয়ে দেখতে দুপুরে কিশোরী মোহনপুরে আসেন ডি এবং ও মিলন মণ্ডল। তিনি জানান, বাঘটি জঙ্গলে ফিরে গেছে বলে ভিডিও ছবি পাওয়া গেছে। তবুও আমরা বাঘের জঙ্গল থেকে যাতায়াতের পথ নির্ধারণ করতে এবং বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে ড্রোন ও স্প্রীড বোট দিয়ে নজরদারি চালাচ্ছি। মূলতঃ জঙ্গল ও লোকালয়ের দূরত্ব কাছাকাছি হওয়াতে বাঘ নদী পেরিয়ে সহজেই গ্রামে চলে আসে বলে জানান তিনি।
তবে সাধারণত বাঘের বয়েস হলে বা বাঘ কোন কারনে অসুস্থ হলে তবেই বাঘ সহজে শিকার ধরতে গ্রামে ঢোকে। এই বাঘের তেমন কোন বিষয় ছিল কি না তা পায়ের চিহ্ন দেখে বোঝার চেষ্টা চলছে। এদিন বন আধিকারিক আর একটা বিষয় নিয়য়েও গ্রামবাসীদের সচেতন করেন। তিনি বলেন, যে ঝুঁকি নিয়ে গ্রামের মানুষ সোমবার বাঘের ছবি তুলেছেন তা বিপদজনক। যেকোন সময়ে বিপদ ঘটতে পারত। তাই এভাবে ঝুঁকি নেবেন না। এমন ঝুঁকি নিতে গিয়ে অনেকের প্রান গেছে। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার রাতে নদী

Post a Comment